The Boy Who Shook A Tyrant!!!....... Part
01-10
মূলত সুরা বুরুজে আসহাবুল উখদুদ
বলে যাদেরকে সম্বোধন
করা হয়েছে, এ ব্যাপারে রাসূল
সা. এর হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
মুহাম্মদ ইবন ইসহাক এ হাদীসের
ঘটনার বর্ণনায় বলেন, নজরান
অঞ্চলে (বর্তমান ইয়ামান) ইউসুফ
যু নুওয়াস নামক এক রাজা ছিল।
হাদীস অনুযায়ী, উক্ত রাজার
যাদুকর যখন বৃদ্ধ হয়ে পড়ল, তখন
সে রাজার
কাছে একটি ছেলেকে চাইল,
যাকে সে যাদু শিক্ষা দিবে।
রাজা একটি ছেলেকে মনোনীত
করে পাঠাল।
★ এইটুকু বর্ণনা থেকে কিছু
শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে।
প্রথমত,
প্রাচীনকালে রাজা বাদশাহরা জনগণকে মুগ্ধ
করত, তাদের যাদুকরদের
মাধ্যমে। বর্তমান সময়ে বিভিন্ন
শাসকরা Media তে বিভিন্ন
Cultural Program এর
মাধ্যমে আবিষ্ট করে রাখে।
বলা যায়, সেই সময়কার Hollywood,
Bollywood ছিল এসকল যাদুকররা।
এসকল যাদুকরদের
মাধ্যমে তারা জনগণকে মোহাবিষ্ট
করে রাখত। এই যাদুকররা ছিল
শাসকদের Cultural Wing......অন্যভ
াবে Intellectual Wing ও
বলা যেতে পারে, যেরকম
আমরা দেখি, ফিরাউন, মূসা আ.
কে পরাজিত করার জন্য জনগণের
সম্মুখে এই যাদুকরদেরকেই
চ্যালেঞ্জ
হিসেবে নিয়ে এসেছিল।
(এ
বিষয়ে বিস্তারিতভাবে জানতে You
Tube এর The Political Theory In Quran
ভিডিওটি দেখতে পারেন।)
আজকের সময়ও আমরা দেখি,
বিশ্বকাপ ক্রিকেট বা IPL/BPL,
শাহরুখ খানের কনসার্ট
আয়োজনের আড়ালে অনেকসময়
শাসকগোষ্ঠী দেশবিরোধী চুক্তি সম্পাদন
করে, যখন জনগণ এইসব অনুষ্ঠান
নিয়ে ব্যস্ত থাকে। অতীতেও
এই ব্যাপারগুলো ছিল। নীতি বদলায়নি, শুধু উপকরণ
বদলেছে।
দ্বিতীয়ত, এই
তরুণকে রাজা বাছাই
করে যাদুকরের
কাছে পাঠিয়েছে। এখান
থেকে তিনটি সম্ভাবনা সামনে চলে আসে,
১. তরুণটি একটি তীব্র
প্রতিদ্বন্দীতাপূর্ণ বাছাই
প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রথম স্থান
অধিকার করে যোগ্যতম
হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছে। (ধরুন,
BCS পরীক্ষায় প্রথম হয়েছে,
বরং তার চেয়েও যোগ্যতম,
কেননা, রাজার খুব ঘনিষ্ঠ একজন
হতে চলেছে)
২. যেহেতু বিষয়টি ছিল,
রাজদরবারে, যাদুকরের স্থান
অলংকৃত করা, এ
থেকে বুঝা যায়, তার পরিবার
রাজার ঘনিষ্ঠ কেউ ছিল এবং সে ছিল এক সম্ভ্রান্ত
পরিবারের ছেলে। ৩. ছেলেটি প্রচন্ড ক্যারিয়ারিস্টিক ছিল..
যে, তরুণটি আসলে সমাজের
কোন শ্রেণীর তরুণ ছিল।
# প্রভাবশালী,
মেধাবী এবং উচ্চাভিলাষী।
হাদীসের
বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়,
তরুণটি যাদুকরের
কাছে যাওয়ার পথে এক
খৃষ্টান দরবেশের সন্ধান পায়,
এবং তার
কথাবার্তা শুনে মুগ্ধ হয়।
অর্থাৎ সে Brain Washed
হয়ে যায়।
এখানে কয়েকটি বিষয়
লক্ষ্যণীয়,
★ ইসলামের
বাণী যে কাউকে আকৃষ্ট
করার ক্ষমতা রাখে,
তা সমাজের নীচু শ্রেণীই
হোক কিংবা উঁচু শ্রেণী।
বিষয়টি উপস্থাপনের উপরও
নির্ভর করে। একটা সময়,
আমাদের সমাজে বলা হত,
ধর্মীয় উগ্রপন্থায় মাদ্রাসার
লোকজন জড়িত। এর
দ্বারা সেক্যুলাররা বুঝাত
যে, Backdated দরিদ্র লোকজন
ইসলামকে আঁকড়ে ধরে। কিন্তু
বর্তমানে সমাজের উঁচু
শ্রেণীর
মধ্যে ব্যাপকভাবে ইসলামকে আলিংগন
করার প্রবণতা, তাদেরকে এই
কথা বলতে বাধ্য করছে যে,
এদেরকে Brain Wash
করা হচ্ছে।
এ কথার
মাধ্যমে আসলে তারা নিজেদেরকেই
অপমান করছে। অর্থাৎ, আধুনিক
সেক্যুলারিজম তার
রাষ্ট্রযন্ত্র দিয়েও
যা পারেনি, ১৪০০ বছর
আগের ব্যাকডেটেড ইসলাম
তা করে ফেলছে।
আল্লাহর বাণীর এই
যাদুকরী প্রভাব, ঐ
উচ্চাভিলাষী তরুণকেও
আকৃষ্ট করে ফেলেছিল।
সে দরবেশের কাছ
থেকে তৌহীদের জ্ঞান
অর্জন করতে যেত.....
এবং ফলে সে যাদুকরের
কাছে যেতে এবং বাসায়
ফিরতে দেরি করতে থাকে।
হাদীস থেকে জানা যায়,
খৃষ্টান দরবেশ, তাকে Job
Management & Family Management
শিখিয়ে দেয়।
এটা আমাদেরও বাস্তবতা!!!
এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হচ্ছে,
★দরিদ্র পরিবারের লোকজন
কখনও সন্তানের
দেরিতে ঘরে ফিরা নিয়ে টেনশন
করেনা, মূলত উচ্চ মধ্যবিত্ত
এবং উচ্চবিত্তের লোকজনই
সন্তানের ক্যারিয়ারের
প্রতি অতিরিক্ত যত্নশীল
হয়ে থাকে।
সাহাবী সালমান
ফারসী রা. এর বাস্তবতাও
তাই ছিল। তরুণটি আল্লাহর
বাণী শিখতে গিয়ে দেরি করে বাসায়
ফিরত, ফলে সে তার
বাবা মার প্রশ্নের সম্মুখীন
হত। এ
বিষয়টিকে মিথ্যা না বলে কিভাবে ম্যানেজ
করা যায়, দরবেশ
তাকে তা শিখিয়ে দেয়।
আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে,
# দাওয়াহর জন্য
আমাদেরকেও আমাদের
পরিবারগুলোকে ম্যানেজ
করতে শিখতে হবে,
# নতুন ভাই যারা ইসলামের
প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে,
তাদেরকেও
তা শিখাতে হবে, এবং
# ক্যারিয়ারের
চেয়ে আল্লাহর
বাণীকে সমুন্নত করার
দায়িত্ত্বকে অগ্রাধিকার
দিতে হবে।
আমরা যে সমস্যা ফেইস করি,
এবং যে কারণগুলোর
অজুহাতে ইসলামী আন্দোলনের
জীবনকে পরিত্যাগ করি,
তরুণটিও একই বাস্তবতার
মুখোমুখি হচ্ছিল.....
দরবেশ কিভাবে তরুণকে job
management এবং family management
শিখিয়েছিল।
এরপর আমরা নতুন একটি ঘটনার
সূত্রপাত দেখতে পাই,
তা হচ্ছে একটি হিংস্র পশু কর্তৃক
লোকজনের চলাচলের পথ
আটকে দেয়া। হাদীসের
বর্ণনায় এসেছে,
"বালকটি মনে মনে বলল, 'আজ
আমি জেনে নেব, দরবেশ শ্রেষ্ঠ
নাকি যাদুকর শ্রেষ্ঠ?'.....
সে একটি পাথর খন্ড নিয়ে বলল,
'হে আল্লাহ! দরবেশের কাজ
যাদুকরের কাজ থেকে তোমার
নিকট যদি বেশি পছন্দনীয় হয়,
তবে এই
পশুটাকে মেরে ফেল......."
And There Is A Great Lesson For Every
Dayee In Every Era....
কি আশ্চর্য!! তরুণটি নিজের সত্য
পাথযাত্রা সম্পর্কে সন্দেহে পড়েছিল।
একই পরিস্থিতির মধ্য
দিয়ে কি আমরাও অতিক্রম
করিনা, বিশেষ করে এই যুগে,
যখন অসংখ্য ইসলামিক দলের
আহবান আমাদের
সামনে এবং আমরা বিভ্রান্ত
কাকে পছন্দ করব এই
সিদ্ধান্তহীনতায়!
তরুণটি নিজের আকল, জ্ঞান
দিয়ে বুঝেছিল দরবেশ সত্য,
কিন্তু তার অন্তর পরিতৃপ্ত
ছিলনা, তাই সে এ
বিষয়ে তাকে সঠিক দিক
নির্দেশনার ভার আল্লাহর উপর
ছেড়ে দিল।
আমরা যারা বিভিন্ন
ইসলামী দলের সাথে জড়িত
আছি, তারা কি আল্লাহ
সুওতা.র কাছে এই
প্রার্থনা করেছি, যে,
"হে আল্লাহ! তুমি আমাকে সত্য
পথ প্রদর্শন কর এবং তাতে অবিচল
রাখ। হে আল্লাহ! আমার
সামনে অনেক ইসলামী দলের
আহবান, আমার ক্ষুদ্র
জ্ঞানে অধিক
সত্যপন্থীকে চেনার সামর্থ্য
আমার নেই, আমি এর ভার
তোমার উপর অর্পণ করলাম।
আমি জানিনা, কিন্তু
তুমি তো জান, কে সত্যের
অধিক নিকটবর্তী।
তুমি আমাকে সত্যপন্থীদের
অন্তর্ভুক্ত কর, আমার জন্য
যা মংগলজনক
তাতে আমাকে অন্তর্ভুক্ত কর।
আমাকে ভ্রান্তপথ
হতে সত্যপথে ফিরিয়ে দাও
এবং তাতে অবিচল রাখ।"
অনেকগুলো ইসলামী দলের
আহবানের এই পরীক্ষায় একমাত্র
আল্লাহ
ছাড়া কে আমাকে সত্যপথের
অনুগামী করতে পারে??
তরুণটির এ অসাধারণ
ঘটনা আমাদেরকে এই চমৎকার
শিক্ষা প্রদান করে।
এরপরে, আমরা দেখতে পাই,
আল্লাহ সুওতা. তাকে সত্যপথের
ব্যাপারে দৃঢ়তা প্রদান করেন। এ
ঘটনা দরবেশ জানার পর বলে,
"তুমি শীঘ্রই পরীক্ষার সম্মুখীন
হবে। যদি তুমি পরীক্ষায়
পড়ে যাও, তবে আমার সন্ধান
দিবেনা।"
কি অসাধারণ! কি অসাধারণ!!
★সত্যপন্থীরা আল্লাহর
নিকটবর্তী হবে পরীক্ষার
মাধ্যমে এবং.....
সেই পরীক্ষা কেমন হবে তার
ইংগিত দরবেশ
দিয়ে দিয়েছে,
".....তবে আমার সন্ধান
দেবেনা"
অর্থাৎ কুফর অপশক্তি নির্যতনের
মাধ্যমে নেতার পরিচয়
জানতে চাইবে!!!
আমাদের সমাজে একটা প্রশ্ন
প্রায়ই ঘুরপাক খায়, আর তা হচ্ছে,
ইসলামী আন্দোলনের
নেতারা নিরাপদে থাকে আর
কর্মীরা বিপদে পড়ে।
ঠিক এ কথাটাই মক্কার
কাফিররা দুর্বলদের উপর
অত্যাচার করার সময় বলেছিল,
"আবু বকর, উসমানরা তো ধনী, কই
তাদের তো কিছু হয়না, যত
অত্যাচার তোমাদের উপর
দিয়েই যায়।"
আমরা বলি, আমরা আল্লাহ
সুওতা.র সন্তুষ্টির আশায় ইসলাম
পালন করি, নেতার সন্তুষ্টির
জন্য নয়। আমরা বিশ্বাস করি,
"আমাদের কিছুই হবেনা,
তা ছাড়া, যা আমাদের প্রভু
আমাদের জন্য নির্ধারণ
করে রেখেছেন। আমাদের প্রভু
আমাদের উত্তম অভিভাবক।"
সুতরাং, আমাদের
বিপদে পড়াও
ইসলামকে এগিয়ে নেয়ার জন্য,
আমাদের নেতাদের
নিরাপদে রাখাও
ইসলামকে এগিয়ে নেয়ার জন্য,
কেননা নেতৃত্বই
ইসলামকে এগিয়ে নিয়ে যায়,
তা না হলে যুদ্ধের
ময়দানে সবার
আগে সেনাপতিকেই
জলাঞ্জলি দিতে হত।
আমরা বিশ্বাস করি,
নেতৃত্বকে যদি আল্লাহ
পরীক্ষার সম্মুখীন করতে চান,
তবে কোন নিরাপত্তাই
তাদেরকে নিরাপদ
রাখতে পারবেনা একমাত্র
আল্লাহর নিরাপত্তা ছাড়া।
সায়্যিদ কুতুব
কি ফাঁসি কাষ্ঠে শহীদ হননি,
মউদূদী কি ফাঁসির
মঞ্চে উঠেননি, তাকিউদ্দিন
আন
নাবাহানী কি জেলখানায়
সীমাহীন অত্যাচারের
সম্মুখীন হননি, উসামা বিন
লাদিন কি শহীদ হননি, রাসূল
সা. কি হুনাইনের যুদ্ধে অরক্ষিত
হননি??
আমাদের নেতৃত্বের
নিরাপত্তাও আল্লাহর জন্য,
আবার জুলুমের শিকার হওয়াও
আল্লাহর জন্য!
আমাদের নেতৃত্ব হাসিনার মত
কখনও বলেনা,
"আমাকে ছেড়ে দেন,
আমিরিকায়
গিয়ে নাতি নাতনীর
সাথে সময় কাটাব।"
সুতরাং "তোমাদের নেতা কই",
এ প্রশ্ন ভিত্তিহীন,
বরং আমি কি আহবান করছি,
তা যদি সত্য হয় তা গ্রহণ করুন,
নেতা দিয়ে কি করবেন? সাদ
বিন মুয়াজ রা.
নেতাকে দেখে নয়, নেতার
বার্তাবাহকের
বাণী শুনে ইসলাম গ্রহণ
করেছিলেন।
★ দ্বিতীয় আরেকটি বিষয়
হচ্ছে, একাকী অবস্থায় গোপন
দাওয়াতের পর্যায়,
আমরা আমাদের প্রিয়নবী রাসূল
সা. এর জীবনী থেকেও
দেখতে পাই, যতক্ষণ পর্যন্ত
না একটা দল ইসলামের আন্দোলন
করার জন্য প্রস্তুত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত
উনি প্রকাশ্যে দাওয়াতের
পর্যায়ে যাননি। উক্ত দরবেশও
গোপন দাওয়াত
করে যাচ্ছিলেন।
একা একা সমাজ পরিবর্তন
করা যায়না, একটি দলের
প্রয়োজন হয়।
তাই আল্লাহ সুওতা.ও
সূরা আলি ইমরানে আমাদেরকে তাইই
নির্দেশ দিয়েছেন। বিখ্যাত
"হাদীসে সাফিনা" (জাহাজের
হাদীস) থেকেও আমরা রাসূল
সা. থেকে সেইরকম ইংগিতই
পাই.....
কিভাবে তরুণটি সত্যপথের
ব্যাপারে দৃঢ়প্রত্যয়ী হয়.....
ঘটনার ধারাবাহিকতায়,
হাদীস
থেকে আমরা জানতে পারি,
তরুণটি আল্লাহ সুওতা.র পক্ষ
থেকে নিয়ামত লাভ করে।
সে মানুষের
চিকিৎসা করতে থাকে.....
Well, সে কি যাদুকরের
চাকরি ছেড়ে দেয়???
হাদীস আমাদেরকে এই
ব্যাপারে কিছু জানায়না,
তবে সম্ভবত তাই
ঘটে থাকবে। তরুণটি যাদু
দেখাতে থাকলে ইসলামের
বাণী প্রচার
করতে পারবেনা, কারণ
দুইটা ব্যাপার সাংঘর্ষিক!!
আপনি কুফরকে Represent
করবেন, আবার তাওহীদের
বাণী প্রচার করবেন,
তা কি করে হয়??
তরুণটি পরিশেষে ডাক্তার
হয়, যার মাধ্যমে সে মানুষের
কাছে সহজে ইসলামের
বাণী প্রচার করতে পারে।
সুতরাং কেউ যদি ইসলামের
কাজ করেন এবং ব্যাংকেও
চাকরি করেন, তবে তার
উচিৎ ব্যাংকের
চাকরি ছেড়ে দেয়া।
আমি শুধু একটা উদাহরণ
দিলাম, যার
যারটা সে সে বুঝে নিন।
তরুণটি আমাদেরকে শিখিয়েছে,
কিভাবে ইসলামের জন্য
ক্যারিয়ারকে Sacrifice
করতে হয়।
তরুণটিকে আল্লাহ সুওতা.
চিকিৎসক হওয়ার নিয়ামত
প্রদান করেন। যে কোন
নিয়ামতের সাথেই
পরীক্ষা বিদ্যমান থাকে।
স্ত্রী একটি নিয়ামত, আবার
পরীক্ষাও বটে, সন্তান
একটি নিয়ামত, আবার
পরীক্ষাও বটে, বাবা মাও
নিয়ামত, আবার পরীক্ষাও
বটে, ভাল
চাকরি একটি নিয়ামত
আবার পরীক্ষাও বটে।
তরুণটি, রাজদরবারের
চাকরি ছেড়ে দিয়ে এমন
পেশা গ্রহণ করে যা তার
দাওয়াহর জন্য সহায়ক হবে।
সুতরাং চাকরির
কারণে দাওয়াহ
করতে পারছিনা, এই যদি হয়
আমাদের অজুহাত,
তাহলে আল্লাহর আরশের
ছায়ায় স্থান
লাভকারী Lucky 7 এর একজন
হওয়ার আশা ছাড়তে হবে।
এবার একটু ভিন্ন
প্রসংগে আসি, যা পরের
পর্বগুলো বুঝতে কাজে দিবে।
# Reality_Of_Regimes :
কুফর ব্যাবস্থায় (কেন কুফর
ব্যাবস্থায় বলছি,
তা পরে ব্যাখ্যা দিব)যে কোন
শাসকই তার সমাজের
সবচেয়ে Elite শ্রেণীর
অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকে। তার
আশেপাশে ক্ষমতালোভী আরও
Elite লোকজন থাকে।
ফলে শাসক সবসময়ই আতংকিত
থাকে, ক্ষমতা হারানোর
ভয়ে।
# তাই তারা খুব বিশ্বস্ত
মানুষদেরকে দিয়ে তাদের
নিরাপত্তার নকশা প্রণয়ন
করে, এদেরকে দিয়েই
সে তার Military Wing সাজায়।
কিন্তু এতেও কি কোন লাভ
হয়?? রোমান সম্রাট সীজার
কি বাঁচতে পেরেছিল???
# তারা যে কোন
আন্দোলনকেই
কঠোরহস্তে দমন করে,
এমনকি তা যদি রিকশাওয়ালার
তরফ থেকেও হয়। প্রশ্ন
উঠতে পারে, "কেন?
রিকশাওয়ালা কি তাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর
ক্ষমতা রাখে??"
উত্তর হচ্ছে, "না, কিন্তু
যে কোন আন্দোলন মানেই
Political Unrest, আর এর সুযোগ অন্য
Elite রা নিবে।"
ধরতে পারেননি?? কুফর
ব্যবস্থাগুলোয় ক্ষমতার
পালাবদলের ঘটনার
আগে Political Unrest
মনে পড়ছেনা?? ফখরুদ্দিন??
এরশাদের পতন?? মুবারকের
পতন?? মুরসির পতন??
সাধারণ মানুষরা না বুঝলেও
শাসক এটা ঠিকই বুঝে।
আরবের
স্বৈরাচারীরা এটা খুব
ভালমতই বুঝেছিল, তাই
নিজেদের
ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তারা নিজেদের
ভাইকে কুরবানি দিতেও
কুণ্ঠাবোধ
করেনি (আনোয়ার সাদাত)।
যে কোন আন্দোলন
কঠোরহস্তে দমন করেছিল।
রাশিয়ার জার সম্রাট
বলশেভিক বিপ্লব
কঠোরভাবে দমন
করতে চেয়েছিল, তার
একান্ত আপন
সেনাবাহিনীই
বিশ্বাসঘাতকতা করে জনগণের
পক্ষে যোগ দিয়েছিল,
লেনিন ছিল তখন
পোল্যান্ডের কারাগারে।
সম্রাট
এবং সম্রাজ্ঞী পালিয়ে যায়,
তাদেরই কাছের লোক, অন্য
Elite রা ক্ষমতায় বসে।
আমাদের দেশে এই
বিষয়টা হাসিনা খুব ভালমতই
বুঝেছে,
তবে সে আসলে বি এন
পিকে ভয় পায়না, ভয় পায়,
আরব জাগরণের মত কোন
ইসলামী জাগরণ এবং সেই
সুযোগে তার ক্ষমতাই শুধু নয়,
আদর্শের চিরতরে পতন ঘটা,
তার বাবার নাম
চিরতরে মুছে যাওয়া। এ
কারণেই হেফাযতের উপর
চড়াও হয়েছিল। সে ভাল
করেই জানত, হেফাযত
ক্ষমতা নিতে পারবেনা।
তবে কি সে বি এন
পি জামাতের ভয়
করেছিল?? না, তাও না,
কারণ
বিএনপি যে হেফাযতকে রাজনৈতিক
আশ্রয় দিবে এটা সে অনেক
আগে থেকেই জানত।
সে ভয় পেয়েছিল
টিভিতে দেখা Black Flag
কে যার উত্থান আফগান
যুদ্ধে হয়নি, হয়েছিল ১৯৫৩
সালে।
Smart মহিলা, but not as smart as
Firaun.....কেন???.....
বলছি....
# Firaun Was A Great Politician......
আপনি যদি একজন জনপ্রিয়
শাসক হতে চান,
তাহলে আপনাকে সব
পক্ষকে খুশি রাখতে হবে।
বারাক ওবামা কেন এত
জনপ্রিয়তা পেয়েছিল??
কারণ, সে কালোদেরকেও
খুশি করতে পেরেছিল,
মুসলমানদেরকেও পেরেছিল,
বাংলাদেশ জামাত ইসলাম
তাকে অভিনন্দন
বার্তা পাঠিয়েছিল।
এটা Politician রা বুঝে।
মনে পড়ে, মুসা আ.
ফেরারী হয়ে মিশর
ছেড়ে পালিয়েছিলেন....
মনে পড়ে??
তাহলে উনি যখন দাওয়াহ
নিয়ে ফিরাউনের
কাছে গেলেন, ফিরাউন
কেন সাথে সাথেই
তাকে গ্রেফতার করলনা,
যদিও গ্রেফতার করার সুযোগ
তার ছিল, কেননা মূসা আ.
ছিলেন খুনের আসামী!!!
What Was The Political Motive????
Think.....Think.....Think.....
ফিরাউন কেন
মুসা আ. কে গ্রেফতার করেনি,
যদিও তিনি খুনের
আসামী ছিলেন, এই প্রশ্নের
উত্তর খুঁজার চেষ্টা করছিলাম।
আমরা সবাই জানি,
নবী রাসূলরা সম্ভ্রান্ত
এবং প্রভাবশালী পরিবারে জন্মগ্রহণ
করে থাকেন। মূসা আ.
এবং হারুন আ. ও বনী ইজরাঈলের
সম্ভ্রান্ত পরিবারেই
জন্মেছিলেন। এ
ব্যাপারটি আমরা আরও
দৃঢ়ভাবে বুঝতে পারি, যখন
দেখি, মূসা আ. যখন আল্লাহর
কাছে একজন সাহায্যকারীর
আবেদন করেন, তখন, তিনি হারুন
আ. কে নবুয়্যত প্রদান করেন।
সুতরাং হারুন আ. ছিলেন এমন
একজন ব্যক্তি, বনী ইজরাঈলের
উপর যার প্রভাব
প্রতিপত্তি ছিল। উপরন্তু তার
নবুয়ত লাভ, তার মানবিক
গুণাবলী এবং নেতৃত্ব প্রদানের
ক্ষমতার স্বাক্ষর বহন করে।
মূসা আ. যখন হারুন আ.
কে নিয়ে ফিরাউনের
দরবারে উপস্থিত হন, তখন
ফিরাউন চাইলেই
তাকে গ্রেফতার
করে শাস্তি প্রদান
করতে পারত। কিন্তু
এতে যে সমস্যাগুলো তৈরি হত,
# বনী ইজরাঈলের তরফ
থেকে বিদ্রোহের
আশংকা ছিল। বনী ইজরাঈল
ছিল সবচেয়ে নিগৃহীত। তাদের
তরফ থেকে এ বিদ্রোহ শুরু
হওয়া ছিল স্বাভাবিক। উপরন্তু
হারুন আ. এর
উপস্থিতি বিষয়টিকে কঠিন
করে তুলে, কারণ তিনি ছিলেন
বনী ইজরাঈলের
প্রভাবশালী ব্যক্তি।
(ইজরাঈলি বর্ণনা মতে, এই
দ্বিতীয় ফিরাউন ছিল, প্রথম
ফিরাউনের সন্তান।
যদি তা সত্য হয়ে থাকে,
তবে অস্থিতিশীলতা এড়াতে চাওয়াটাই
ছিল স্বাভাবিক)
# মূসা আ. ফিরাউনের ঘরেই
লালিত পালিত হয়েছিলেন।
তাকে যদি শাস্তি দেয়া হত,
তবে বাজারে নানা গুঞ্জন
ছড়াত। কারণ, এসময়
তাকে হত্যা করলে, তা আর
খুনের
আসামী হিসেবে প্রতীয়মান
হতনা, বরং সবাই জেনে যেত,
মূসা আ. ফিরাউনের
কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করেছিল
বলেই
তাকে হত্যা করা হয়েছে।
সবাই এই বিষয়টি অবগত ছিল যে,
বনী ইজরাঈলের কোন এক
ব্যক্তি ফিরাউনের সাম্রাজ্য
ধ্বংস করবে, সুতরাং গুঞ্জন
ভালমতই ছড়িয়ে পড়ার
আশংকা ছিল। এটা হত
ফিরাউনের জন্য এক বিরাট
রাজনৈতিক পরাজয়, মানুষ
বলাবলি করত, ফিরাউন দাসের
কাছে হেরে গেছে।
একবার এই ধরনের বিদ্রোহ,
ভবিষ্যত বিদ্রোহের পথ উন্মুক্ত
করে দেয়।
ফলে সে Politically Deal করার
সিদ্ধান্ত নিল। এই
কাজে সে তার Cultural/Intellectual
Wing ব্যবহার করল।
যাদুকরদেরকে ডাকল,
এবং ডাকল দেশের জনগণকে।
দেশের জনগণকে কেন ডাকল???
কারণ, ফিরাউন Public Opinion
তৈরি করতে চেয়েছিল
মূসা আ. এর বিরুদ্ধে। জনমত
কি জিনিস, সে ভালমতই বুঝত।
(আগের পর্বে বলেছিলাম, Hasina
is not as smart as Firaun....
হাসিনা যখন হিযবুত
তাহরীরকে নিষিদ্ধ করে, তখন
হিযবুত তাহরীর
একটি লিফলেটে উল্লেখ
করেছিল, হিযবুত
তাহরীরকে নিষিদ্ধ
করতে হবেনা, হিযবুত তাহরীর
যে চিন্তাধারার প্রচার
চালায়,
হাসিনা যদি তা বুদ্ধিবৃত্তিকভা
বে ভুল প্রমাণ করতে পারে,
তবে হিযবুত তাহরীর তার
কার্যক্রম বন্ধ করে দিবে,
নিষিদ্ধ করা লাগবেনা।
ফিরাউন হলে এই চ্যালেঞ্জ
গ্রহণ করত, কিন্তু হাসিনা সেই
চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেনি ভয়ে,
ফলে হিযবুত তাহরীরের
বার্তা আগের চেয়ে আরও
জনপ্রিয় হয়ে উঠল)
Ideological রাষ্ট্রের শাসকরা এই
জনমতকে গুরুত্ব দেয়।
হাতে গোণা কয়েকজন
বাদে মুসলিম বিশ্বের
শাসকরা দালালী করে ক্ষমতায়
আসার
কারণে এবং স্বাভাবিক
রাজনৈতিক প্রক্রিয়া বর্জনের
কারণে এই 'জনমত'
বিষয়টি বুঝতে পারেনা, তাই
তারা সবসময় জনবিচ্ছিন্নই
থাকে। Ideological রাষ্ট্র
কিভাবে তা ব্যবহার
করে তা বুঝতে হলে 'Reel Bad
Arabs' নামের এই অসাধারণ
Documentary টা দেখতে পারেন।
তাহলে বুঝবেন, মুসলিমদের
বিরুদ্ধে কিভাবে পশ্চিমা শাসকরা তাদের
Cultural Wing ব্যবহার করে জনমত গঠন
করেছিল!!!
ফিরাউনও তাই চেয়েছিল।
জনগণের সামনে মূসা আ.
কে মিথ্যা প্রমাণিত
করতে পারলে,
সে বনী ইজরাঈলকে পুরোপুরিভাবেই
নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে,
ইতিমধ্যেই কারুনের
মাধ্যমে যার
কিছুটা করতে সে সক্ষম
হয়েছিল।
কিন্তু এটাই ছিল তার এক বড়
রাজনৈতিক ভুল।
Who was Karun??
বনী ইজরাঈলের একজন
সম্পদশালী লোক।
শাসকরা এটা কেন করে??
..... যে কারণে, শাহরুখ খান,
আমির খান, সালমান খানের মত
মুসলিম
(!)রা ভারতে জনপ্রিয়তা লাভ
করে......
গত পর্বে শাসকগোষ্ঠীর
বাস্তবতার একটি দিক
উল্লেখিত হয়েছিল। এই
পর্বে বাকি দিকটি উল্লেখ
করা হবে।
ঘটনা পরম্পরায়, বাদশাহর
একজন পারিষদ অন্ধ
হয়ে গিয়েছিল,
সে বালকটির
চিকিৎসা পেয়ে ভাল
হয়ে যায়, বালকটির দাওয়াহ
গ্রহণ করে।
বাদশাহ যখন
তাকে জিজ্ঞাসা করল,
"কে তোমার
দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিল?".....
সে উত্তর দিল, "আমার রব্ব".....
বাদশাহ অবাক
হয়ে জানতে চাইল,
"আমি ছাড়াও কি তোমার
রব্ব আছে?"
Now, This Is Something Strange.....
আরবী ভাষায় রব্ব শব্দের অর্থ,
প্রতিপালক; কাউকে তার
সমস্ত মংগলামংগলের
প্রতি লক্ষ্য
রেখে ধীরে ধীরে বা পর্যায়ক্রমে সামনে এগিয়ে নিয়ে উন্নতির
চরম শিখরে পৌছে দেয়
যিনি, তাকে রব্ব বলে।
বাদশাহ, অবাক
হয়ে ভাবছিল,
"আমি তোমাদের জন্য
যে চিকিৎসা সেবার
ব্যাবস্থা করেছি, যে Health
Complex খুলেছি, যে Square
Hospital বানিয়েছি,
যে Obama Care খুলেছি,
তাতে তো এ
চিকিৎসা সম্ভব নয়!
আমি ছাড়াও অন্য কোন রব্ব
আছে তোমার?"
একই রকম অবাক হয়েছিল
ফিরাউন, বলেছিল,
"আনা রব্বুকুমুল আঅ'লা, আমিই
সবচেয়ে বড় রব্ব"
"আমি ছাড়া তোমাদের অন্য
কোন ইলাহ আছে বলে আমার
জানা নেই"
প্রশ্ন হচ্ছে, শাসকরা, কেন
"লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ"কে ভয়
পায়??
Because It's A Political Challenge For
The Ruler!
এ দুনিয়াতে,
সবচেয়ে কর্তৃত্বশীল,
সবচেয়ে ক্ষমতাশালী হচ্ছে শাসক।
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ
মানে হচ্ছে, "I Deny You As My
Ruler! I Deny Your System! I Deny
You As My Rabb!"
সুতরাং, শাসক তার
অবস্থানে থেকে আশ্চর্য
হয়ে যায়,
"আমাদের স্বরস্বতী আছে,
যে পড়াশুনায় ভাল ফল
দিবে.....
আমাদের একটা Secular
Education System
আছে যেটা হাজার হাজার
A+ দিবে....."
"আমাদের লক্ষ্মী আছে,
যে অর্থনৈতিক
সফলতা দিবে.....
আমাদের World Bank, IMF আছে,
যারা পদ্মাসেতু
বানাতে সাহায্য করবে....."
"আমাদের দুর্গা আছে,
যে অন্যায়কে দূর করবে.....
আমাদের United Nations এর
Security Council আছে,
যারা Terrorism দূর করবে....."
....."তোমরা কি সব
ইলাহকে এক ইলাহয় পর্যবসিত
করতে চাও??".....
ফিরাউন অবাক
হয়ে গিয়েছিল,
"আমি তোমাদের জন্য
কৃষিনীতি প্রণয়ন করি,
আমি তোমাদের
দুর্যোগে ত্রাণের
ব্যাবস্থা করি,
আমি তোমাদেরকে নিরাপত্তারক্ষীদ
ের
মাধ্যমে নিরাপত্তা দেই,
তোমরা আমার
কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য,
আমি তো কারও
কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য
নই!!!
এরপরও বলছ, আমার বাইরে অন্য
কোন রব্ব আছে?"
"এরপরও বলছ, ৭২ এর
সংবিধানের চেয়ে মূল্যবান
কিছু আছে!
এরপরও বলছ, মুক্তিযুদ্ধের
চেতনার চেয়েও মংগলজনক
কিছু আছে!
আমরা বিদ্যুত খাতে, স্বাস্থ্য
খাতে, নারী অধিকার
খাতে ধাপে ধাপে উন্নতির
চরম
শিখরে পৌছিয়ে দিচ্ছি,
সমুদ্র বিজয় দান করেছি,
তারপরও বলছ অন্য কেউ রব্ব?
Then You Are Backdated
তোমরা যা বল,
তা তো আগের দিনের
উপকথা!"
এবং সাবধান!!!
কবরে মা রব্বুকা জিজ্ঞাসা করা হবে,
"তোমার রব্ব কে?"
"তোমার
সৃষ্টিকর্তা কে তা কিন্তু
জিজ্ঞাস করা হবেনা,
জিজ্ঞাস করা হবে,
কে তোমাকে প্রতিপালন
করেছে? কোন আদর্শ
দ্বারা প্রতিপালিত হয়েছ?"
মুজিবের আদর্শে?
জিয়ার আদর্শে?
চে গুয়েভারার আদর্শে?
আব্রাহাম লিংকনের
আদর্শে?
এডাম স্মিথের আদর্শে?
এ কারণেই ইসলামের
আক্বীদাহ
একটি রাজনৈতিক
আক্বীদাহ,
কেননা এটি পৃথিবীর
সর্বোচ্চ রাজনৈতিক
কর্তৃত্বকে অস্বীকার করে।
এ কারণেই
এটি একটি আধ্যাত্মিক
আক্বীদাহ, কেননা এটি সকল
কর্মকান্ড এবং ব্যাবস্থার
সাথে আল্লাহ সুওতা.
কে সম্পর্কিত করে।
Islamic Aqeedah Is A Political
Aqeedah, That's Why The Regime
Fears.....
Islamic Aqeedah is A Spiritual
Aqeedah, So To Call People Towards
This Aqeedah is An Amanah,
এ কারণেই এর দায়ীরা কখনও
পিছপা হয়না।
It's The Call Of Dawah...
It's The Call Of Defiance...
এ পর্বে আবার
দাওয়াহকারীর কিছু বিষয়
উঠে আসবে।
বাদশাহ তার
পারিষদকে নির্যাতন
করে বালকটির
ব্যাপারে জেনে যায়।
তারপর
বালকটিকে ধরে আনা হয়।
ধরে আনার পর বাদশাহ
বালকটিকে বলে, "তোমার
যাদুবিদ্যার খবর শুনলাম,
তুমি জন্মান্ধ, কুষ্ঠ
রোগীকে ভাল কর, আরও কত
তুকতাক কর..."
বালকটি প্রতিউত্তরে বলে,
"আমি কাউকে আরোগ্য দান
করিনা, আল্লাহই করেন"
Well, বাদশাহ কি ছেলেটার
ব্যাপারে জানতনা?
তাহলে সে কেন
ছেলেটিকে এই ধরনের
খোঁচা মারা কথা বলল??
(কমেন্টে পাঠকদের উত্তর
আশা করছি.....)
পরবর্তীতে, বাদশাহ
ছেলেটিকে নির্যাতন
করে, দরবেশের পরিচয়
জেনে ফেলে।
মনে পড়ে? দরবেশ
বালকটিকে বলেছিল,
"তুমি যখন পরীক্ষার সম্মুখীন
হবে, তখন আমার নাম
বলবেনা..."
বালকটি কি সেই ইংগিত
বুঝেনি। ধরে নিলাম,
সে ইংগিতটা বুঝেনি।
নির্যাতনের
মুখে সে বাদশাহর
কাছে দরবেশের পরিচয় ফাঁস
করে দিল।
একজন দায়ী, যেকোন সময় এই
পরিস্থিতির সম্মুখীন
হতে পারে, নির্যাতনের
মুখে সে নেতৃত্বের পরিচয়
ফাঁস করে দিতে পারে।
এটা অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু
দৃঢ় ঈমানের পরিচয় সেইই
দিতে পারে, যে শত
নির্যাতনের মুখেও কোন তথ্য
ফাঁস করেনা।
আমরা দেখি, বর্তমান
সময়ে আবু গারিব কারাগার,
গুয়ান্তানামো বে কিংবা বাংলাদেশের
TFI (Task Force Interrogation)
সেলেই কি পরিমাণ
নির্যাতন করা হয়, ফুল
ভলিউমে গান
ছেড়ে রাখা হয়,
যাতে শ্রবণশক্তি নষ্ট
হয়ে যায়, শীতের সময় উলংগ
করে বরফের উপর
শুইয়ে রাখা হয়,
যৌনাংগে ইলেক্ট্রিক শক
দেয়া হয়,
মুখে তোয়ালে পেঁচিয়ে পানি ঢালা হয়,
দিনের পর দিন
ঝুলিয়ে রাখা হয়
এবং আরো কত কি......
এসবই শুধু একটি মাত্র
অপরাধের কারণে, আর
তা হচ্ছে আল্লাহকে সমাজের
সকল পরিসরে ইলাহ
হিসেবে প্রতিষ্ঠাচেষ্টার
অপরাধ।
এরপর দরবেশকে তার দ্বীন
ত্যাগ
করতে বলা হলে সে অস্বীকার
করে, তাকে করাত
দিয়ে দুটুকরো করে কেটে ফেলা হয়।
তারপর বাদশাহর
পারিষদকেও দ্বীন ত্যাগ
করতে বলা হয়, সে অস্বীকার
করে এবং তাকেও
কেটে ফেলা হয়।
প্রশ্ন হচ্ছে, পারিষদের
আগে বালকটিকে কেন দ্বীন
ত্যাগ করতে বলা হলনা, এর
দ্বারা বাদশাহ কি হাসিল
করতে চেয়েছিল, এবং এই
ঘটনা বালকটির
মনে কি প্রভাব ফেলল???
ছুঁড়ে দিয়েছিলাম।
প্রথম প্রশ্ন ছিল,
"বাদশাহ কেন
তরুণটিকে খোঁচা মেরে কথা বলল?"
যারা জেইল ফেইস করেছেন
কিংবা ইন্টারোগেশন
ফেইস করেছেন,
তারা বুঝার কথা। এর
মাধ্যমে বাদশাহ, তরুণটির
Moral Strength যাচাই
করতে চেয়েছিল। যেমন
ধরুন,
ইন্টারোগেশনে কোন
অফিসার যদি কাউকে বলে, "
তুমি তো ভাল ছেলে,
তুমি নিশ্চয়ই
এসবে জড়াওনি,
তুমি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলে,
আমার
অফিসাররা তোমাকে ধরে এনেছে...."
অথবা,
"তুমি কত ব্রিলিয়ান্ট
স্টুডেন্ট,
বন্ধুবান্ধবের পাল্লায়
পড়ে তুমি নিশ্চয়ই এইসব
জংগী দলে ঢুকেছ"
যার ঈমাণ দুর্বল, সে তখন
উত্তরে বলবে,
"আমি রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলাম,
কোন মিছিল
টিছিলে আসিনি,
আমাকে শুধুশুধু
ধরে এনেছে...."
কিংবা
"আমি এসবের কিছুই
জানিনা ওমুক
আমাকে আসতে বলেছিল,
তমুক
আমাকে ওখানে যেতে বলেছিল...."
এই উত্তরেই
শাসকগোষ্ঠী বুঝে ফেলে,
আপনার Moral Strength কতটুকু,
আপনি কতটুকু সহ্য
করতে পারবেন। তখন
তারা বুঝতে পারে, ভয়
দেখিয়ে বা প্রলোভন
দেখিয়ে আপনার কাছ
থেকে কথা আদায়
করা যাবে। তাদের
পরবর্তী চাল হয়,
"তাহলে যে তোমার এই
সর্বনাশ করেছে, তার নাম
বল, ওর সাথে আর
কে কে আছে......./
তোমাকে ছেড়ে দিব,
তুমি তো আর এই সংগঠন
করনা,
ওরা কে কে আছে নাম বল,
তা না হলে তোমার মত
অনেকের জীবন ওরা নষ্ট
করবে"
এভাবেই শাসকশ্রেণী তার
প্রতারণার ফাঁদ পাতে।
যে দৃঢ় ঈমাণের অধিকারী,
সে তার বিশ্বাসে অটল
থাকে, যেরকম
তরুণটি বলেছিল,"আমি কাউকে আরোগ্য
দান করিনা.... আল্লাহ দান
করেন..."
তখন শাসক পরবর্তী স্টেজ
তথা নির্যাতনের
স্টেজে যায়।
আমাদের দ্বিতীয়
প্রশ্নটি ছিল, "কেন
দরবেশের পর
তরুণকে হত্যা না করে সভাষদকে হত্যা করা হল?"
এক্ষেত্রে কিছু বিষয়
বুঝা দরকার। নির্যাতনের
মুখে বালকটি যখন দরবেশের
নাম ফাঁস করে দিল, শাসক
তখুনি বালকটির ঈমাণের
দূর্বলতা বুঝতে পেরেছিল।
এবং সে এও বুঝেছিল,
বালকটির কাছে অন্য কোন
Information নেই। তাই
সে দরবেশকে ধরে এনে হত্যা করে ফেলে,
কারণ দরবেশ থেকে তার
পাওয়ার কিছুই ছিলনা।
সভাষদকে হত্যা করার
পেছনে দুইটি কারণ
থাকতে পারে, প্রথমত,
ঘরের সদস্য যখন শত্রুর
সাথে হাত মিলায় তখন
তাকে বাঁচিয়ে রাখার
কোন মানে হয়না।
দ্বিতীয়ত, দরবেশ
এবং সভাষদকে হত্যা করে তরুণটিকে এই
message দেয়া যে,
"তোমার
নেতাকে আমি হত্যা করে ফেলেছি,
আমার
সভাষদকে হত্যা করতেও
আমি কুণ্ঠাবোধ করিনি।
সুতরাং আমি তোমার
কাছে যা চাচ্ছি,
তা দিতে প্রস্তুত হও।"
বাদশাহ তরুণটির ঈমাণের
দূর্বলতার পরিচয়
পেয়েছিল, তাই
সে ভেবেছিল, হত্যা আর
নির্যাতনের চাক্ষুষ
দৃশ্য অবলোকনের
মাধ্যমে সে তরুণটিকে তার
উদ্দেশ্যে কাজে লাগাতে পারবে।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে,
সে তরুণটিকে কি কাজে লাগাতে চেয়েছিল?
আমরা প্রথম পর্বেই
বলেছিলাম, তরুণটি ছিল
মেধাবী, সম্ভ্রান্ত
এবং ক্যারিয়ারিস্টিক।
সুতরাং সে ছিল একজন
Idol..... এই
ছেলেটিকে যদি সে ইসলামের
পথ
হতে ফিরিয়ে আনতে পারে,
তবে এটা হবে তার জন্য
বিরাট রাজনৈতিক বিজয়।
তখন
সে সমাজকে বলতে পারবে 'ও
ভুল পথে গিয়েছিল, আবার
ফিরে এসেছে'
Quilliam Foundation এর Majid Nawaj
এর মত আরকি!
আর বাদশাহ
যদি তাকে ফিরাতে না পারে,
তবে?
ভাবুন একবার, Justin Bieber
যদি ইসলাম গ্রহণ
করে পুঁজিবাদের
বিরুদ্ধে বলা শুরু করে!
কিংবা Atif Aslam
যদি পাকিস্তান
সেনাবাহিনীকে খিলাফত
প্রতিষ্ঠার আহবান
জানাতে থাকে!
পুরো তরুণ সমাজ এর
দ্বারা প্রভাবিত হবে।
বাদশাহ নিশ্চিত ছিল,
সে যা চাচ্ছে,
তরুণটি তাকে তা দিবে।
হাদীসে উল্লেখ
না থাকলেও
ধারণা করা যায়, বাদশাহ
তরুণটিকে বিভিন্ন অফার
দিয়েছিল।
কিন্তু দরবেশ
এবং সভাষদের মৃত্যু
তরুণটির মনে কি প্রভাব
ফেলেছিল??
যে, নির্যাতনের
মুখে দরবেশের নাম ফাঁস
করে দিয়ে দূর্বলতার
পরিচয় দিয়েছিল, সে হঠাৎ
করে কিভাবেই বা এত দৃঢ়
হয়ে উঠল??
প্রশ্ন ছিল, বালকটি হঠৎ করেই এত অদ্ভুত
সাহসী হয়ে উঠল কিভাবে??
আমার কাছে দুইটি ব্যাপারকে Prominent
মনে হয়েছে।
প্রথমত, দরবেশ এবং সভাষদের মৃত্যু অবলোকন করার পর,
বালকটি বুঝতে পারে, উক্ত জনপদে তাউহীদের
বার্তাবাহক হিসেবে সেইই একমাত্র বেঁচে আছে।
সুতরাং, আল্লাহ সুওতা.র
সম্মানকে সুউচ্চে তুলে ধরার জন্য সে ছাড়া আর
কেউ নেই।
He felt the responsibility.....
He felt that then he was the only guardian to make the word of
Allah swt. high.....
এটা এতই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় যে, আল্লাহর
বাণীকে সমুন্নত করার দায়িত্বের
ব্যাপারে নিজের জীবনও তুচ্ছ। অর্থাৎ, আমাদের
জীবন দিয়ে হলেও ইসলামের কোন অপমান
করা যাবেনা।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, বর্তমান যুগে Reformist
Islamic Movements এর ধারক বাহকরা "মাসালিহ
মুরসালা" নীতিমালার ভুল প্রয়োগ ঘটিয়ে এই
মানসিক অবস্থান নিয়েছে, যে,
"আমিই যদি মারা গেলাম, তাহলে ইসলামের
কথা বলবে কে? তাই আমাকে টিকে থাকতে হবে,
যাতে করে বেশি মানুষের কাছে ইসলাম
পৌঁছানো যায়"
এভাবে ইসলামের
চেয়ে ব্যক্তি হয়ে পড়েছে গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই
কুফরের Compromise অফারে হাত
বাড়িয়ে দিয়েছে, অনেক ইসলামী দল!
এবং একে জায়েজ করা হয়েছে 'হিকমা' শব্দটির
বিকৃত উপস্থাপনের মধ্য দিয়ে।
হায়, বেলাল যে কেন এই হিকমা বুঝলনা!
উমাইয়্যা বিন খালফ যখন তাকে Compromise এর
অফার দেয়
এবং ওয়াহশিয়া তাকে তা মেনে নেয়ার পরামর্শ
দেয়, বেলাল রা. তখন উত্তরে বলে, "আমি আমার
দ্বীনকে খাট করতে পারবনা।"
অর্থাৎ ইসলামের মর্যাদার
কাছে ব্যক্তি বেলালের
থাকা না থাকা নিতান্ত তুচ্ছ বিষয়।
আর, অন্যদিকে কুফরের সাথে Compromise
করা ইসলামী দলগুলো বুঝেছে, ইসলামের
ব্যাপারে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও
নিজেকে টিকিয়ে রাখতে হবে।
"মুসলমান যতদিন নিজে টিকে থাকার
চিন্তা করেনি, ততদিন সে বিজয়ী ছিল,
যখুনি সে নিজের টিকে থাকার চিন্তা শুরু করল,
তখুনি তার পতন শুরু হল"
"আল্লাহর ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে, আল্লাহর
আমাকে প্রয়োজন নেই, কিন্তু কুফরের
সাথে Compromise করে আমিই পরাজিতদের
অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেলাম"
দ্বিতীয়ত, বালকটি ছিল জনগণের নিকট আল্লাহর
বাণীর একমাত্র Representative! সেই ছিল একমাত্র
SpokesPerson..... জনগণ দরবেশকে চিনতনা।
সুতরাং বালকটির কর্মকাণ্ডের উপরই আল্লাহর
বাণীর মর্যাদা নির্ভর করছে। যখন আপনি একজন
Public figure, Who Represents Islam, তখন আপনার
প্রতিটি কাজ, প্রতিটি শব্দ এমনভাবে উচ্চারিত
হওয়া উচিৎ, যাতে করে ইসলাম অপমাণিত না হয়।
আপনি তখন আর সাধারণ কেউ নন। আপনাকে Bold Stand
নিতে হবে তখন। এটাই ঈমাণের দাবী।
Sometimes, Time Will Come, When You Need To Pose "One Man
Show".......
বালকটি বুঝতে পারল, এটাই সেই সময়!
সে দৃঢ় থাকল, তারপর তাইই ঘটল, যার আশংকায় ছিল
ফিরাউন, যার আশংকায় ছিল এই বাদশাহ!
"যেই আশংকা তোমার ছিল, তাইই তো হয়ে গেল,
সব লোক আল্লাহর প্রতি ঈমাণ এনে ফেলল!!!"
CHECKMATE!!!
One Of The Greatest Political Decision Ever Made In The History!!!
The
Boy Who Shook A Tyrant!!!..... Last Part (শেষ পর্ব)
আমরা কয়েক পর্ব থেকেই হাদীসটি থেকে ইসলামী ব্যক্তিত্ব এবং আন্দোলনের ধরন আলোচনা করছিলাম এটি হবে শেষ পর্ব। বালকটি ঈমাণ ত্যাগ করতে অস্বীকার করার পর বাদশাহ তার সৈন্য সামন্ত দিয়ে তাকে হত্যা করতে পাঠাল, যাতে তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। যদিও সে দরবেশ এবং সভাষদের মত তাকেও নিভৃতে হত্যা করতে পারত। কিন্তু সে চেয়েছিল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। "শাসকের শেষ অস্ত্র হচ্ছে মৃত্যুবিধান জারি করা" কিন্তু আশচর্যের বিষয় হচ্ছে, বালকটিকে নিহত করার তিন তিনটি প্রচেষ্টা ব্যার্থ হল, এবং আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, বালকটি পালিয়ে না গিয়ে বাদশাহর মুখোমুখি হল।
সে পালালো না কেন?? It's Very Important.....
আমরা কয়েক পর্ব থেকেই হাদীসটি থেকে ইসলামী ব্যক্তিত্ব এবং আন্দোলনের ধরন আলোচনা করছিলাম এটি হবে শেষ পর্ব। বালকটি ঈমাণ ত্যাগ করতে অস্বীকার করার পর বাদশাহ তার সৈন্য সামন্ত দিয়ে তাকে হত্যা করতে পাঠাল, যাতে তা দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। যদিও সে দরবেশ এবং সভাষদের মত তাকেও নিভৃতে হত্যা করতে পারত। কিন্তু সে চেয়েছিল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে। "শাসকের শেষ অস্ত্র হচ্ছে মৃত্যুবিধান জারি করা" কিন্তু আশচর্যের বিষয় হচ্ছে, বালকটিকে নিহত করার তিন তিনটি প্রচেষ্টা ব্যার্থ হল, এবং আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, বালকটি পালিয়ে না গিয়ে বাদশাহর মুখোমুখি হল।
সে পালালো না কেন?? It's Very Important.....
প্রথমত, বালকটির ব্যক্তিত্ব প্রস্ফুটিত হয়। তাকে হত্যা প্রচেষ্টার পুরোটা সময় সে ছিল Cool Minded..... যেরকম হুনাইনের যুদ্ধে রাসূল সা. ছিলেন। ইসলামী নেতৃত্বের বৈশিষ্ট্যই এটা, তারা যেকোন পরিস্থিতিতে কুল থাকবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইবে। "আপনি যদি কুল থাকেন, তাহলে বিপক্ষকে অস্থির করতে পারবেন" দ্বিতীয়ত, বালকটি পালিয়ে না গিয়ে রাজাকে নিজের ফিল্ডে খেলতে বাধ্য করেছিল। এবং এটা এমন এক রাজনৈতিক প্রজ্ঞা যা ইতিহাসেই বিরল। একটা উদাহরণ দেই, একটা ইসলামী দল শাসকের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, শাসক যদি তাকে নিষিদ্ধ করে, তার প্রতি অত্যাচারের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়, আর সেই দল যদি মনে করে, "এখন পরিস্থিতি খারাপ, তাই কার্যক্রম বন্ধ রাখি অথবা শাসকের সাথে আপোষ করি", তাহলে সে শাসকের রাজনৈতিক ছকে বাঁধা পড়ে যাবে। "আর এভাবেই Reformist রা খিলাফত বাদ দিয়ে গণতন্ত্র/ইসলামী গণতন্ত্রের স্লোগান আউড়িয়ে কুফরের ছকে প্রবেশ করে ফেলেছে, ফলে কুফর যেভাবে চেয়েছে, তাদেরকে সেভাবে চলতে হয়েছে। কুফর এদেরকে ব্যাবহার করে তার স্বার্থ হাসিল করেছে।" কিন্তু বালকটি কি করেছিল? সে উল্টা বাদশাহর মুখোমুখি হওয়ায় বাদশাহ আতংকিত হয়ে যায়, কেননা এটা তার প্রেষ্টিজের ব্যাপার। সে একটি বালককে হত্যা করতে পারছেনা, জনগণ জানতে পারলে সে হবে হাসির পাত্র। তাই সে মরিয়া হয়ে উঠে। এবং চালে ভুল করে ফেলে..... যার সুযোগ নেয় বালকটি,
"বিসমিল্লাহি রব্বিল গোলাম" বালকের শিখানো বুলি আউড়িয়ে সে বালকটিকে হত্যা করে। ফলে?? লোকেরা তা দেখে আল্লাহর প্রতি ঈমাণ আনল। বাদশাহ যার আশংকায় এত কিছু করল, তাইই ঘটে গেল। CheckMate!! রাজা চেক!! আর এখানেই হিযবর প্রসংগ আসে, যারা বালকের মত রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। মুসলিম উম্মাহকে 'খিলাফাহ' শব্দ থেকে দূরে রাখার জন্য আমিরিকা কত কিই না করল। কিন্তু মুসলিম উম্মাহর ঘরে ঘরে আজ এই শব্দ পৌঁছে গেছে। এর পুরো কৃতিত্ব হিযবুত তাহরীরের। Reformist রা তো আগেই কুফরের ছকে বন্দী হয়ে গিয়েছিল, এই কৃতিত্ব জিহাদীদেরও নয়, কারণ তারা 'ইমারাহ' কনসেপ্ট দিত। আর সকল জিহাদীদের শ্রদ্ধেয় স্কলার ইমামআওলাকি তো উম্মাহর কাছে খিলাফাহকে জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব হিযবরকে প্রকাশ্যেই দিয়েছেন। আমিরিকার দালাল ইমরান খানও খিলাফতের কথা বলে, হাসিনাও ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলে। কুফর শক্তি এখন হিযবর ফিল্ডে চলে এসেছে। আমিরিকার CheckMate হতে যাচ্ছে খুব শীঘ্রই.....
ইনশাআল্লাহ।
সবচেয়ে বড় শিক্ষাটা এখনো বাকি। আর তা হল, আল্লাহ বালকটিকে ভুলেননি, তাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কিতাবে তার ঘটনা উল্লেখ করে তাকে সম্মানিত করেছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূলকে দিয়ে তার ঘটনা আমাদেরকে জানিয়েছেন। আল্লাহ তাকে কত ভালবাসতেন! তার হয়ে প্রতিশোধ নিবেন বলেছেন।কিন্তু বালকটি তা জানতও না, হাশরের আগে জানবেও না কোন দিন। সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই এসব করেছিল।
He Was Abdullah Ibn Tamir..... The Boy Who Shook A Tyrant!!!
"বিসমিল্লাহি রব্বিল গোলাম" বালকের শিখানো বুলি আউড়িয়ে সে বালকটিকে হত্যা করে। ফলে?? লোকেরা তা দেখে আল্লাহর প্রতি ঈমাণ আনল। বাদশাহ যার আশংকায় এত কিছু করল, তাইই ঘটে গেল। CheckMate!! রাজা চেক!! আর এখানেই হিযবর প্রসংগ আসে, যারা বালকের মত রাজনৈতিক প্রজ্ঞার পরিচয় দিয়েছে। মুসলিম উম্মাহকে 'খিলাফাহ' শব্দ থেকে দূরে রাখার জন্য আমিরিকা কত কিই না করল। কিন্তু মুসলিম উম্মাহর ঘরে ঘরে আজ এই শব্দ পৌঁছে গেছে। এর পুরো কৃতিত্ব হিযবুত তাহরীরের। Reformist রা তো আগেই কুফরের ছকে বন্দী হয়ে গিয়েছিল, এই কৃতিত্ব জিহাদীদেরও নয়, কারণ তারা 'ইমারাহ' কনসেপ্ট দিত। আর সকল জিহাদীদের শ্রদ্ধেয় স্কলার ইমামআওলাকি তো উম্মাহর কাছে খিলাফাহকে জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব হিযবরকে প্রকাশ্যেই দিয়েছেন। আমিরিকার দালাল ইমরান খানও খিলাফতের কথা বলে, হাসিনাও ইসলাম প্রতিষ্ঠার কথা বলে। কুফর শক্তি এখন হিযবর ফিল্ডে চলে এসেছে। আমিরিকার CheckMate হতে যাচ্ছে খুব শীঘ্রই.....
ইনশাআল্লাহ।
সবচেয়ে বড় শিক্ষাটা এখনো বাকি। আর তা হল, আল্লাহ বালকটিকে ভুলেননি, তাই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ কিতাবে তার ঘটনা উল্লেখ করে তাকে সম্মানিত করেছেন। সর্বশ্রেষ্ঠ রাসূলকে দিয়ে তার ঘটনা আমাদেরকে জানিয়েছেন। আল্লাহ তাকে কত ভালবাসতেন! তার হয়ে প্রতিশোধ নিবেন বলেছেন।কিন্তু বালকটি তা জানতও না, হাশরের আগে জানবেও না কোন দিন। সে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই এসব করেছিল।
He Was Abdullah Ibn Tamir..... The Boy Who Shook A Tyrant!!!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন